ব্রিটিশ ও পাকিস্তান আমলের ভূমি আইন সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
এ-লক্ষ্যে আরএস ও সিএস খতিয়ানের পৌনে চার কোটি ডেটাবেজ অনলাইনে আপলোড করা
হয়েছে। পুরো কাজ শেষ হলে বন্ধ হবে হয়রানি। সচিবালয়ে সোমবার ই-নামজারির
সক্ষমতা মূল্যায়ন গবেষণা ফলাফল তুলে ধরে এসব কথা জানান ভূমিমন্ত্রী
সাইফুজ্জামান চৌধুরী এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ
আহমেদ পলক।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের ই-নামজারির সক্ষমতা মূল্যায়ন গবেষণার ফলাফল নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন ভূমিমন্ত্রী এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী। এতে ভূমিমন্ত্রী জানান, ব্রিটিশ ও পাকিস্তান আমলের ভূমি আইন ওইসব দেশে সংশোধন হলেও বাংলাদেশে তা এখনো অপরিবর্তিত। তাই ভূমি আইন সংশোধন হচ্ছে। অনলাইনভিত্তিক মিউটেশন সেবা জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে এবং ভূমি সংক্রান্ত যে কোনো হয়রানি সরাসরি মন্ত্রণালয়কে জানাতে আগামী মাসেই চালু হচ্ছে হটলাইন।
প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জানান, ২০২৫ সাল নাগাদ সব সরকারি সেবা মোবাইল ফোনে পাওয়া যাবে। তিনি আরো জানান, আগামী বছরই দেশের সব ভূমি অফিসে অনলাইন সেবা পাওয়া যাবে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এরই মধ্যে দেশের সাড়ে চার কোটি আরএস ও সিএস খতিয়ানের মধ্যে পৌনে চার কোটির ডেটা অনলাইনে আপলোড করা হয়েছে। পুরোদমে অনলাইন সেবা শুরু হলে হয়রানি অনেকাংশেই বন্ধ হবে।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের ই-নামজারির সক্ষমতা মূল্যায়ন গবেষণার ফলাফল নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন ভূমিমন্ত্রী এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী। এতে ভূমিমন্ত্রী জানান, ব্রিটিশ ও পাকিস্তান আমলের ভূমি আইন ওইসব দেশে সংশোধন হলেও বাংলাদেশে তা এখনো অপরিবর্তিত। তাই ভূমি আইন সংশোধন হচ্ছে। অনলাইনভিত্তিক মিউটেশন সেবা জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে এবং ভূমি সংক্রান্ত যে কোনো হয়রানি সরাসরি মন্ত্রণালয়কে জানাতে আগামী মাসেই চালু হচ্ছে হটলাইন।
প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জানান, ২০২৫ সাল নাগাদ সব সরকারি সেবা মোবাইল ফোনে পাওয়া যাবে। তিনি আরো জানান, আগামী বছরই দেশের সব ভূমি অফিসে অনলাইন সেবা পাওয়া যাবে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এরই মধ্যে দেশের সাড়ে চার কোটি আরএস ও সিএস খতিয়ানের মধ্যে পৌনে চার কোটির ডেটা অনলাইনে আপলোড করা হয়েছে। পুরোদমে অনলাইন সেবা শুরু হলে হয়রানি অনেকাংশেই বন্ধ হবে।
